বাংলাদেশ সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ভারতে থেকে ফেরত চেয়ে নোট ভার্বাল পাঠিয়েছে। ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনে প্রায় ১,৪০০ জনের মৃত্যুর দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৭ নভেম্বর তাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়। সরকারের পতনের পর হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন এবং সেখান থেকেই বক্তব্য দিচ্ছেন। দিল্লি এখনো প্রত্যর্পণ বিষয়ে কোনো অবস্থান নেয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের সীমিত ম্যান্ডেট থাকায় ভারত নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগে বড় কোনো পদক্ষেপ নেবে না। ঐতিহাসিকভাবে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তির আইনি জটিলতা বিষয়টিকে আরও সংবেদনশীল করেছে। ভারত বিচার প্রক্রিয়ার ন্যায্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে পারে এবং ২০২৬ সালের নির্বাচন সামনে রেখে কৌশলগতভাবে সতর্ক অবস্থান বজায় রাখছে।
রাজনৈতিক ও আইনি জটিলতায় শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ভারত