বাংলাদেশ সরকার ২০২৫–২৬ অর্থবছরের শেষ ছয় মাসে (জানুয়ারি–জুন ২০২৬) ৪৩ খাতে রপ্তানি প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা আগের মতোই বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, জাহাজীকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে প্রণোদনা ও নগদ সহায়তার হার পণ্যভেদে দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত থাকবে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সরকার রপ্তানিমুখী শিল্প খাতকে বর্তমান পরিস্থিতিতে সহায়তা অব্যাহত রাখছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যার পর নগদ রপ্তানি সহায়তা দেওয়া যাবে না। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দুই ধাপে প্রণোদনার হার কমানো হলেও এবার তা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, ভারতের স্থলবন্দর দিয়ে রপ্তানি বন্ধ এবং ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর শিল্প খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ায় সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বস্ত্র, চামড়া, পাট, ওষুধ, হিমায়িত মাছ, কৃষিপণ্য, সফটওয়্যার, হালকা প্রকৌশল ও হস্তশিল্পসহ বিভিন্ন খাতে আগের প্রণোদনা হার বহাল রাখা হয়েছে। এই পদক্ষেপ রপ্তানি খাতকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৪৩ খাতে রপ্তানি প্রণোদনা জুন ২০২৬ পর্যন্ত অপরিবর্তিত রাখল বাংলাদেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।