ফরিদা আখতার বলেন, বিশ্বব্যাপী মাত্র ০.৪ শতাংশ কার্বন নির্গমনের জন্য বাংলাদেশ ঝুঁকির মুখে রয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিক সহায়তা না পাওয়ার কারণে দেশের নিজস্ব সক্ষমতার উপর নির্ভরশীল হওয়ার প্রয়োজনীয়তা গুরুত্বারোপ করেন। মিথেন গ্যাস নির্গমন কমানো ও গবেষণা উন্নয়নের ওপর Livestock and Dairy Development Project-এর কর্মশালায় আলোচনা হয়। এফএও ও বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের ভূমিকা শক্তিশালী করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের মধ্যে, বললেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা