প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট বন্ধ থাকা সত্ত্বেও শনিবার রাতে তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে বলে জানিয়েছে এএফপি। দুই সপ্তাহ আগে অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দ্রুত ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা উৎখাতের দাবিতে রূপ নেয়। ইরান সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে, আর মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, সহিংসতায় বহু মানুষ নিহত হয়েছে এবং পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। নেটব্লকস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে ইরানে প্রায় কোনো ইন্টারনেট সংযোগ নেই।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এই আন্দোলনকে সহায়তা করতে প্রস্তুত। সাবেক শাহের পুত্র রেজা পাহলভি আন্দোলনকে আরও সংগঠিত করার আহ্বান জানান। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বিক্ষোভকারীদের ‘ভাঙচুরকারী’ আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেন, তারা ট্রাম্পের ইশারায় কাজ করছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও ইরান হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারে অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছে।
ইরানের সেনাবাহিনী কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে, আর ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বনেতারা সংযমের আহ্বান জানিয়েছেন। তেহরানের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে, তবে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ইন্টারনেট বন্ধের মধ্যেও ইরানে বিক্ষোভ ও দমন-পীড়ন অব্যাহত