মুরাদনগরে ধর্ষণের শিকার এক নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা ঘটনার পাঁচ দিন পরও হয়নি। মামলা হলেও ভুক্তভোগী মত পরিবর্তন করায় পুলিশ পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পারেনি বলে জানায়। পরিবারের দাবি, আটক ফজর আলীর উপর হওয়া নির্যাতনের ফলে ফজর আলী মারা যেতে পারেন বলে ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে সিদ্ধান্ত থেকে সরিয়ে আনা হয়। আইনজীবীরা বলছেন, দেরিতে হলেও দ্রুত ডাক্তারি পরীক্ষা ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ প্রয়োজন, না হলে মামলায় দুর্বলতা থাকবে। পুলিশ বলছে, ট্রমা কাটাতে সহযোগিতা জরুরি এবং অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
মুরাদনগরে ধর্ষণের শিকার নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা ৫ দিনেও হয়নি। পুলিশ ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে কুমিল্লা মেডিকেল নিয়ে যায়। কিন্তু ভুক্তভোগী মত বদলানোয় তার পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি।