আসামের নগাঁও জেলার ঘটনায় বাঙালি মুসলমানদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। ৩১ বছর বয়সি হাসান আলী জানান, তার বাবা ৫৮ বছর বয়সি কৃষক তাহের আলীকে গত আট মাসে তিনবার সীমান্ত পেরিয়ে নোম্যানস ল্যান্ডে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের বিদেশি ট্রাইব্যুনাল তাকে ‘ঘোষিত বিদেশি’ ঘোষণা করে নাগরিকত্ব বাতিল করেছে। এই ট্রাইব্যুনাল হাজারো বাসিন্দার নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের কথা না শুনেই রায় দিয়েছে। গত বছরের মে মাস থেকে বিজেপি সরকার আইনি প্রক্রিয়া এড়িয়ে ১৯৫০ সালের আইন ব্যবহার করে বন্দুকের মুখে রাতের অন্ধকারে এসব মানুষকে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে।
বাংলাদেশ তাদের প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ায় অনেকে ‘পুশ ব্যাক’ ও ফিরে আসার দুষ্টচক্রে পড়েছেন। ডিসেম্বর মাসে অন্তত সাতজনকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠানো হলেও তারা ঢুকতে না পেরে ফিরে আসেন। আইনজীবী ও পর্যবেক্ষকরা বলেছেন, আসাম সরকারের এই নীতি আন্তর্জাতিক ও সাংবিধানিক নিয়ম লঙ্ঘন করছে। অক্সফোর্ডের এক গবেষক একে রাষ্ট্রহীনতার উৎপাদন বলে অভিহিত করেছেন, যেখানে মানুষ দুদেশের মধ্যে ‘টেনিস বলের মতো’ ছুড়ে ফেলা হচ্ছে।
ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
১৯৫০ সালের আইনে বাংলাদেশে বাঙালি মুসলমানদের জোরপূর্বক পাঠানোর অভিযোগ আসামের বিরুদ্ধে