মিডল ইস্ট আই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিরা এখন মৌলিক খাদ্যের বিনিময়ে বাসনপত্র ও পোশাকের মতো জিনিসপত্র বিনিময় করছেন। বেথলেহেমের এক মা ফেসবুক গ্রুপে লিখেছেন, তিনি সন্তানদের জন্য খাবার জোগাতে জলপাই তেল ও জা’আতারের বিনিময়ে রান্নার সামগ্রী দিয়েছেন। গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এবং ইসরাইলি নিষেধাজ্ঞা কঠোর হওয়ার ফলে এমন ঘটনা এখন সাধারণ হয়ে উঠেছে।
অর্থনীতিবিদ ড. হাইথাম ওয়েইদা বলেন, পশ্চিম তীর ধীরে ধীরে ক্ষুধা সংকটে পড়ছে, যেখানে মানুষ পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার জোগাড় করতে পারছে না। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলি অবরোধে ফিলিস্তিনি অর্থনীতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। দারিদ্র্য ও বেকারত্ব প্রায় ২৮ শতাংশে পৌঁছেছে। শ্রমিকদের ইসরাইলে প্রবেশ বন্ধ, পর্যটন ও কর রাজস্ব হ্রাস এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্যমতে, প্রায় ৮৯৮টি চেকপয়েন্টে বাণিজ্য ও চলাচল প্রায় বন্ধ।
এই সংকটে বহু ফিলিস্তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইসরাইলে কাজের চেষ্টা করছেন। শ্রমিক সংগঠন জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অন্তত ৩৮ জন শ্রমিক নিহত ও ১,৫০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
ইসরাইলি অবরোধে পশ্চিম তীরে খাদ্যের জন্য জিনিসপত্র বিনিময় বাড়ছে