২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি প্রকাশিত ‘আমার দেশ অনলাইন’-এর এক বিশ্লেষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘গাজা শান্তি বোর্ড’-কে এক ফাঁকা ও অনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা শান্তিকে আর্থিক লেনদেনে পরিণত করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৬০টি দেশে বোর্ডের খসড়া সনদ বিতরণ করে সদস্যপদ পেতে এক বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত দাবি করা হয়েছে। এতে গাজার পুনর্গঠনকে ন্যায়বিচার বা আত্মনিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে রূপ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বোর্ডের কাঠামো অর্থনির্ভর, যেখানে সদস্যপদ অর্থ প্রদানের মাধ্যমে নির্ধারিত এবং সিদ্ধান্তের ক্ষমতা এককভাবে চেয়ারম্যানের হাতে। এতে ফিলিস্তিনিদের কোনো ভূমিকা নেই এবং আন্তর্জাতিক আইন, জেনেভা কনভেনশন বা জাতিসংঘ প্রস্তাবের উল্লেখও অনুপস্থিত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগ জাতিসংঘ কাঠামো এড়িয়ে দায়বদ্ধতা থেকে মুক্ত থেকে একটি সমান্তরাল শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলছে।
প্রবন্ধে উপসংহারে বলা হয়েছে, গাজায় প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি, মানবিক সহায়তার প্রবেশাধিকার, অপরাধের জবাবদিহিতা এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে ফিলিস্তিনি নেতৃত্বাধীন পুনর্গঠন।
ট্রাম্পের গাজা শান্তি বোর্ড শান্তিকে বাণিজ্যিকীকরণ ও ফিলিস্তিনিদের বাদ দেওয়ার অভিযোগে সমালোচিত