জুলাই বিপ্লবের সম্মুখভাগের নেতা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশজুড়ে শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে তিনি মারা যান। শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছায়। আজ শনিবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি, আধাসরকারি ও বিদেশি মিশনগুলোয় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে হাজারো মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয়, যেখানে আওয়ামী লীগবিরোধী ও ভারতবিরোধী স্লোগান শোনা যায়। কিছু স্থানে সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। অন্তর্বর্তী সরকার সহিংসতা রোধে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তরুণ নেতা হাদির হত্যাকাণ্ড আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এবং সরকারের জন্য স্থিতিশীলতা রক্ষা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে।
ওসমান হাদির মৃত্যুতে শোক ও বিক্ষোভে কাঁপছে বাংলাদেশ