নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ষষ্ঠ কমিশন বৈঠকের পর বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতীকের বিষয়টি আমরা বিবেচনায় নিয়ে নিয়েছি। একই প্রজ্ঞাপনে ২০০৮ সালে দলটিকে প্রতীকসহ নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতীক কোনো দলকে দিলে সেটি সেই দলের জন্য সংরক্ষিত থাকে আরপিও অনুযায়ী। দলটি প্রতীকসহ নিবন্ধন পাবে। এর আগে সর্বোচ্চ আদালত বলেছিলেন, দলটির ক্ষেত্রে পেন্ডিং রেজিস্ট্রেশন ইস্যু এবং অন্য কোনো ইস্যু যদি থেকে থাকে, তা সাংবিধানিক ম্যান্ডেট অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে ইসিকে নির্দেশ দেওয়া হলো।
জামায়াতে ইসলামীর প্রতীকের বিষয়টি আমরা বিবেচনায় নিয়ে নিয়েছি। প্রতীক কোনো দলকে দিলে সেটি সেই দলের জন্য সংরক্ষিত থাকে আরপিও অনুযায়ী। দলটি প্রতীকসহ নিবন্ধন পাবে: ইসি