যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাভোস ইকোনোমিক ফোরামে তার নতুন ‘বোর্ড অব পিস’ উদ্বোধন করেছেন, যা তিনি বিশ্বব্যাপী দীর্ঘদিনের সংঘাত ও দুর্ভোগের অবসান ঘটানোর উদ্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেন। গাজা যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন প্রচেষ্টার সময় জন্ম নেওয়া এই ধারণা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন পেয়েছিল, কিন্তু এখন এটি আরও বৃহত্তর বৈশ্বিক প্রকল্পে রূপ নিচ্ছে। ফাঁস হওয়া খসড়া সনদে দেখা যায়, ট্রাম্প আজীবনের জন্য বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকবেন এবং সদস্য নির্বাচন, উপ-সংস্থা গঠন বা বিলুপ্তি এবং উত্তরসূরি নিয়োগের ক্ষমতা তার হাতে থাকবে। স্থায়ী সদস্যপদের মূল্য ধরা হয়েছে ১০০ কোটি ডলার।
এই উদ্যোগে বিশ্বজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সতর্কবার্তা দেন, হাঙ্গেরির ভিক্টর অরবান প্রশংসা করেন, আর যুক্তরাজ্য, সুইডেন ও নরওয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। সাতটি মুসলিমপ্রধান দেশ গাজা পুনর্গঠনের আশায় এতে যুক্ত হয়েছে, যদিও সনদে গাজার উল্লেখ নেই। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁকে ট্রাম্প শুল্ক আরোপের হুমকি দেন, আর স্লোভেনিয়া একে বিপজ্জনক হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করে।
জাতিসংঘ কর্মকর্তারা একে নিরাপত্তা পরিষদের ব্যর্থতার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন, তবে অন্তর্ভুক্তির গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস শক্তির শাসনের উত্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
দাভোসে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ উদ্বোধনে জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক