পশ্চিমবঙ্গে টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচনের ফল ঘোষণার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তিন ভাগে বিভক্ত হয়েছে। ২৮ বছরের পুরোনো এই দলটি মাত্র ২৮ দিনের মধ্যে ভেঙে পড়ে। রাজ্যের বেশির ভাগ বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ‘আসল তৃণমূল’ নামে নতুন ব্লক গঠন করে রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলের ভূমিকা নিচ্ছেন। অন্যদিকে, দিল্লিতে অন্তত ২০ জন লোকসভা এমপি দল ছেড়ে ‘এনসিপিআই’ নামে নতুন দলে যোগ দিয়ে এনডিএ জোটকে সমর্থন করেছেন। মূল দলটি এখন মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিয়ন্ত্রণে থেকে ‘কালীঘাট তৃণমূল’ নামে পরিচিত।
দল ভাঙার পেছনে তিনটি প্রধান কারণ উল্লেখ করা হয়েছে—আদর্শহীন ও নির্বাচননির্ভর রাজনীতি, বিজেপির সক্রিয় ভূমিকা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের করপোরেট ধাঁচের নেতৃত্ব। বিজেপি বিদ্রোহীদের উৎসাহিত করে পশ্চিমবঙ্গে একটি ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ বিরোধী দল গঠনের চেষ্টা করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এই দ্রুত বিভাজন তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন ভারসাম্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে পরাজয়ের পর তিন ভাগে বিভক্ত তৃণমূল কংগ্রেস
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।