মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে তথাকথিত ‘শান্তির বোর্ড’-এর সদস্য হিসেবে মনোনীত করেছেন। এই সাত সদস্যের বোর্ড গাজার শাসনব্যবস্থা ও পুনর্গঠনের তত্ত্বাবধান করবে। ট্রাম্পের সভাপতিত্বে বোর্ডে রয়েছেন মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, বিশ্বব্যাংকের সভাপতি অজয় বাঙ্গা এবং প্রেসিডেন্টের জামাতা জ্যারেড কুশনার। এটি শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে গঠিত হয়েছে।
মিডিল ইস্ট আই জানিয়েছে, টনি ব্লেয়ারের অন্তর্ভুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ২০০৩ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ইরাক আক্রমণে ভূমিকার কারণে অনেকেই তাকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর তার প্রতিষ্ঠিত টনি ব্লেয়ার ইনস্টিটিউট (টিবিআই) মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের মতো স্বৈরাচারী সরকারকে পরামর্শ দেওয়ায় সমালোচিত হয়েছে। টিবিআই এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এই নিয়োগ এমন সময়ে এসেছে, যখন ইসরায়েল গাজায় ত্রাণ প্রবাহে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এবং শীতকালীন প্রতিকূল আবহাওয়ায় ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ৭১ হাজার ৪০০ জনের বেশি নিহত এবং অন্তত ১ লাখ ৭১ হাজার আহত হয়েছে।
গাজা পুনর্গঠনের বোর্ডে টনি ব্লেয়ারকে নিয়োগ দিয়ে বিতর্কে ট্রাম্প