গবেষণা জাহাজ আরভি ড. ফ্রিডটজফ নানসেন পরিচালিত সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম জরিপের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কমিটি। মঙ্গলবার সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। গত বছরের ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত এই জরিপে আট দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানী অংশ নেন, যার মধ্যে ১৩ জন বাংলাদেশের। অধ্যাপক সায়েদুর রহমান জানান, গবেষণায় ৬৫টি নতুন জলজ প্রজাতি শনাক্ত হয়েছে এবং ওভারফিশিংয়ের কারণে জেলিফিশের আধিক্য ও ২ হাজার মিটার গভীরতায় প্লাস্টিক পাওয়া গেছে।
২০১৮ সালের তুলনায় বড় মাছের সংখ্যা কমে যাওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে। বর্তমানে ২৭০ থেকে ২৮০টি বড় ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ ধরছে, যার মধ্যে ৭০টি সোনার প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। মৎস্য উপদেষ্টা সতর্ক করে বলেন, এভাবে চললে বঙ্গোপসাগর মাছশূন্য হয়ে পড়তে পারে এবং সরকার সোনার ফিশিং বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের জলভাগের সম্পদ সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পর্যাপ্ত গবেষণা ও নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।
বৈঠকে জানানো হয়, যুক্তরাজ্যের রয়্যাল নেভির এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ ভেসেলটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় রয়েছে, যা সামুদ্রিক গবেষণা সক্ষমতা বাড়াবে। এছাড়া জাপান, ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের সঙ্গে যৌথ গবেষণার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
গভীর সমুদ্র গবেষণা ও সমন্বয়ের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার