প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশে যেন আর কখনো নির্বাচন ডাকাতি না ঘটে, সে ব্যবস্থা নিতে হবে। সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮, ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন গ্রহণের পর তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিকৃত করে জনগণকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে এবং যারা এতে জড়িত ছিল তাদের চিহ্নিত করে জাতির সামনে আনতে হবে।
তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে পরিকল্পিতভাবে সাজানো হয়েছিল যাতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকে। ২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হয় এবং বাকি আসনগুলোও পূর্বনির্ধারিত ছিল। ২০১৮ সালে ৮০ শতাংশ কেন্দ্রে রাতে ব্যালটে সিল মারা হয় এবং ২০২৪ সালে বিএনপি অংশ না নেওয়ায় ‘ডামি’ প্রার্থী দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে প্রশাসন, পুলিশ, নির্বাচন কমিশন ও গোয়েন্দা সংস্থার অংশগ্রহণের কথাও উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনটি আরও জানায়, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের পরিবর্তে প্রশাসনই নির্বাচনের মূল নিয়ন্ত্রণকারী শক্তিতে পরিণত হয়।
তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণের পর নির্বাচন ডাকাতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান ইউনূসের