গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, ঐকমত্যের স্বার্থে আমরা বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের অবস্থান থেকে সরে আসছি। কিন্তু দু-তিনটি দল রিজিড পজিশনে আছে। এভাবে চলতে থাকলে কিয়ামত পর্যন্তও শতভাগ ঐকমত্য হবে না। এখানে ঐকমত্যের একটা মাপকাঠি নির্ধারণ করতে হবে। তিনি বলেন, ভগ্নাংশ হোক আর পরিপূর্ণ হোক- দুই মেয়াদের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না এ প্রস্তাবনা আগে থেকেই ছিল। এখন এনসিসি, উচ্চকক্ষে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন হবে কি না এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। এ সময় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা সাইফুল হক জানান, সংবিধানকে কীভাবে জবাবদিহিমূলক করা যায়, ক্ষমতাকে কীভাবে ভারসাম্যমূলক করা যায় তা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি।
ঐকমত্যের স্বার্থে আমরা বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের অবস্থান থেকে সরে আসছি। কিন্তু দু-তিনটি দল রিজিড পজিশনে আছে। এভাবে চলতে থাকলে কিয়ামত পর্যন্তও শতভাগ ঐকমত্য হবে না: নুর