বাংলাদেশের বহুল প্রত্যাশিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশের ২৯৯টি আসনের ৪২ হাজার ৯৫৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া পুরো প্রক্রিয়া ছিল শান্তিপূর্ণ। ভোট শেষে গণনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত করা হয়েছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি নির্বাচিত সরকার গঠনের পথ উন্মুক্ত হয়েছে, যা গণতন্ত্রে উত্তরণের প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মোট ৫৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল অংশগ্রহণ করেছে, যেখানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। একই দিনে সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ভোটাররা দুটি ভিন্ন রঙের ব্যালট ব্যবহার করেছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু রাখতে এক লাখ সেনা ও নয় লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।
ভোটকে ঘিরে সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। অনেকেই নিজ গ্রামে গিয়ে ভোট দেন। প্রায় চার কোটি তরুণ ভোটার প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করে, আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক প্রচারণা এবারের নির্বাচনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলো বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট