বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষণা করেছে যে জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের খেলাপি ঋণ নিয়মিত করতে পারবে মোট বকেয়ার তিন শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে। মঙ্গলবার ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। সর্বোচ্চ দশ বছরে ঋণ পরিশোধের সুযোগ থাকবে, যার মধ্যে প্রথম দুই বছর গ্রেস পিরিয়ড হিসেবে গণ্য হবে এবং এ সময়ে মাসিক বা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে কেবল সুদ পরিশোধ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং ব্যাংকগুলোকে ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি করতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ইউরোপে সামরিক অস্থিতিশীলতার কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটেছে, ফলে রপ্তানিমুখী ও স্থানীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে শিল্পটিকে সচল রাখা ও ব্যাংক ঋণ আদায় সহজ করতে বিশেষ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠন সুবিধা দেওয়া হয়েছে। আগে পুনঃতফসিল করা ঋণও দুই শতাংশ ডাউন পেমেন্টে সর্বোচ্চ দুই বছর মেয়াদ বাড়াতে পারবে।
ব্যাংকগুলোকে বিশেষ পরিদর্শনের মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে যে গ্রাহকরা নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ইসলামী ব্যাংকগুলোকে শরিয়াহ নীতিমালা মেনে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে হবে।
জাহাজ নির্মাতাদের তিন শতাংশ জমায় ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক