এক যৌথ বিবৃতিতে ১০১টি সংগঠন বলেছে, ‘গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পার হলেও বাহিনী সংস্কারের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে দেশের জনগণ ভোগ করছে। জুলাই যোদ্ধাদের ওপর নির্বিচার রক্তাক্ত হামলা চালানো মানে জুলাই স্পিরিটকে অস্বীকার করা। যারা জুলাই স্পিরিটের সঙ্গে বেইমানি করবে, তাদের পরিণতি খুনি হাসিনার মতোই হবে। সেনা ও পুলিশ সদস্যদের অমানবিক মব-হামলা জাতিকে ফ্যাসিবাদের কালো দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক, অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত। গণতান্ত্রিক আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা মানে জনগণের ওপর হামলা।’ সংগঠনগুলো অবিলম্বে এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়। আরও বলা হয়, ‘আমরা বিশ্বাস করি, নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের পুনর্জন্ম হতে দেওয়া হবে না। সামরিক বাহিনীকে যদি রাজনৈতিক মব হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তবে জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবে। রাষ্ট্রযন্ত্রের নামে সামরিক মবের এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে এখনই।’ বলা হয়, ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সহযোগী রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি দীর্ঘদিন ধরে গণবিরোধী অবস্থান নিয়েছে। আজ তাদের কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ করতে গিয়ে নুরসহ নেতাকর্মীদের রক্তাক্ত হতে হয়েছে। আমরা অবিলম্বে জাতীয় পার্টিকে রাজনৈতিক বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানাই। যদি আবারও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে সামরিক মব নামানো হয়, আমরা সারা দেশে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলব।
জাতীয় পার্টিকে রাজনৈতিক বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানাই। যদি আবারও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে সামরিক মব নামানো হয়, আমরা সারা দেশে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলব: ১০১টি সংগঠন