রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে মৎস্য অধিদপ্তরের ‘সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ’ প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, অপরিকল্পিত মাছ আহরণের কারণে সমুদ্রে মাছের স্টক কমে যাচ্ছে। উপকূলে মাছ ধরা কমে আসা ও গভীর সমুদ্রে যেতে না পারা—দুই পরিস্থিতিই উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মেরিন ফিশারিজে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, যা কাজে লাগাতে হবে। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় প্রকল্পটির মেয়াদ ২৮ নভেম্বর শেষ হলেও সরকারি রাজস্ব বাজেটের আওতায় কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। নারী জেলেদের স্বীকৃতি ও অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন, উল্লেখ করেন যে বর্তমানে মাত্র ৪ শতাংশ নারী জেলে কার্ড পেয়েছেন। কপ–৩০ সম্মেলনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন মেরিন ফিশারিজের বড় প্রভাবক, তাই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় এটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মেরিন ফিশারিজ টিকিয়ে রাখতে উপকূল ও গভীর সমুদ্রকেন্দ্রিক সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান জানাল বাংলাদেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।