সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ভারতের প্রভাব বলয়ের বাইরে থেকে একটি স্বাধীন ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেছিলেন বলে ‘আমার দেশ’-এর প্রতিবেদনে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন। তারা বলেন, তিনি মুসলিম বিশ্ব ও চীনের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি পশ্চিমা বিশ্ব, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সদ্ভাব বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। ভারতের সঙ্গে বৈরিতা এড়িয়ে কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেন তিনি।
অধ্যাপক এম শহীদুজ্জামান, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী ও সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবীর বলেন, খালেদা জিয়া ‘লুক-ইস্ট পলিসি’ গ্রহণ করে চীন ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করেন এবং সার্ক ও ওআইসির মতো সংস্থাগুলোকে কার্যকর করতে উদ্যোগী ছিলেন। তার পররাষ্ট্রনীতি ছিল আধিপত্যবিরোধী এবং জাতীয় স্বার্থনির্ভর।
বিশ্লেষকরা আরও জানান, তার সময়ে তিন বিঘা করিডোর খোলা হয়, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ে এবং মুসলিম দেশগুলোতে মানবসম্পদ রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হয়। ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদী তালিকা থেকে বাংলাদেশকে নিরাপদে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি, যা তার ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির সাফল্য হিসেবে দেখা হয়।
চীন, মুসলিম বিশ্ব ও পশ্চিমের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গড়েছিলেন খালেদা জিয়া