বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনের বিএনপি প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম জেলার সাতটি আসনের মধ্যে সর্বাধিক ঋণ খেলাপি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর দাখিল করা তার হলফনামা অনুযায়ী, তার মোট ঋণের পরিমাণ ৭৬২ কোটি টাকা, যার মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসিতে ২৬১ কোটি ৬০ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি আরও ৩৯৬ কোটি টাকার খেলাপি ঋণের তথ্য গোপন করেছেন। ঋণ পরিশোধ না করায় ব্যাংকটি ২০২৫ সালের অক্টোবরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
৬৯ বছর বয়সী এই প্রার্থী ২০০১ সালে বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং নিজেকে পেশাদার ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তিনি র্যানস রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং একই প্রতিষ্ঠানের ঋণের গ্যারান্টর। তার হলফনামায় ৩৬ কোটি টাকার নগদ অর্থ, একাধিক ব্যাংক হিসাব ও স্ত্রী কাজী রশিদা ইসলামের সঙ্গে যৌথ সম্পদের বিবরণ রয়েছে। ২০২৫ সালে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৬৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং আয়কর দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
খেলাপি ঋণ থেকে দায়মুক্তি পেতে তিনি উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কাজী রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, তার হলফনামায় যা উল্লেখ রয়েছে তা সম্পূর্ণ সত্য।
বগুড়া-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলামের হলফনামায় ৭৬২ কোটি টাকার ঋণ