ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোলার চারটি আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি। প্রতিটি আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী মনোনয়ন পেলেও দলটির অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও জোটসঙ্গী বিজেপির সঙ্গে সমন্বয়হীনতা কিছু আসনে চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরাও সক্রিয়ভাবে মাঠে রয়েছে। একক প্রভাবশালী প্রার্থী থাকায় জামায়াতের অবস্থান তুলনামূলকভাবে সুসংগঠিত ও আত্মবিশ্বাসী।
ভোলা-১ আসনে সাবেক মেয়র গোলাম নবী আলমগীর বিএনপির প্রার্থী, আর জামায়াতের নজরুল ইসলাম সামাজিক কর্মকাণ্ডে ভোটারদের কাছে পৌঁছাচ্ছেন। ভোলা-২ আসনে সাবেক এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মুফতি ফজলুল করিম। ভোলা-৩ আসনে বিএনপির মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের বিপরীতে আছেন জামায়াত সমর্থিত নিজামুল হক নাঈম। ভোলা-৪ আসনে যুবদল নেতা নুরুল ইসলাম নয়ন কোন্দলের মধ্যেও প্রচারে ব্যস্ত, আর জামায়াতের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল শক্ত অবস্থানে আছেন।
ভোলা সরকারি কলেজের অধ্যাপক এবিএম মজিবুর রহমান মনে করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দলের ভূমিকা ভোটে প্রভাব ফেলবে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সেনা উপস্থিতি জরুরি।
ভোলায় বিএনপির কোন্দল, নির্বাচনী মাঠে সংগঠিত জামায়াতের অগ্রগতি