এনসিপি নেতা তাসনিম জারা লেখেন, সংসদে নারীদের জন্য বিদ্যমান সংরক্ষিত আসন পদ্ধতিতে নারী এমপিদের স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক গড়ে ওঠে না। এজন্য এনসিপি বলছে যে, নারী সাংসদরা যেন একটি নির্দিষ্ট আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মানুষের ভোটে নির্বাচিত হন। এতে করে তাদের স্থানীয় মানুষের সমস্যা নিয়ে কাজ করার সুযোগও তৈরি হবে। জারা জানান, এ নিয়ে জাবির একজন সহযোগী অধ্যাপক লিখেছেন, ‘ সংসদ সদস্যের কাজ কী- সেটা কী এই এনসিপি নেতা জানেন? স্থানীয় জনগণের সঙ্গে যোগসূত্র কেন হতে হবে? স্থানীয় সরকারের কাজটা কী তাহলে?’ এ মতামতের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন নির্বাচন কমিশনের একজন ডেপুটি সচিবও। এর প্রতিক্রিয়ায় জারা লেখেন, সংসদ সদস্য শুধু আইন প্রণয়ন করেন না। তারা আইন প্রণয়ন করেন কোনো জনগোষ্ঠীর পক্ষে, তাদের অভিজ্ঞতা ও সমস্যাকে সামনে রেখে। যদি কোনো সংসদ সদস্যের একটি নির্দিষ্ট ভোটদাতা জনগোষ্ঠী না থাকে, তাহলে তার কাজের জবাবদিহি থাকে কেবল দলের কাছে। আরো বলেন, স্থানীয় সরকার বাস্তবায়ন করে, সংসদ সদস্য নীতি নির্ধারণ করেন। কিন্তু আইন ও নীতিনির্ধারণ জনগণের মধ্যে গিয়ে, শুনে বুঝে করতে হয়।
নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের পদ্ধতি নারী এমপিদের স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক গড়ে ওঠতে দেয় না। এজন্য এনসিপি চায়, নারী সাংসদরা যেন একটি নির্দিষ্ট আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন: জারা