ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে বিভাজন দেখা দিয়েছে। নিষেধাজ্ঞা, সাইবার ব্যবস্থা ও সামরিক পদক্ষেপসহ বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে। টিআরটি ওয়ার্ল্ড ও ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এসব বিষয়ে অবহিত করা হতে পারে। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
নিউইয়র্ক টাইমসকে এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা জানান, সম্ভাব্য হামলার আগে সেনা মোতায়েন ও প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির জন্য আরও সময় প্রয়োজন হবে। কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, সামরিক পদক্ষেপের ফল অনাকাঙ্ক্ষিত হতে পারে—যেমন ইরানের জনগণ সরকারের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যাওয়া বা আঞ্চলিক সংঘাতের সূত্রপাত। যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান দলের কয়েকজন আইনপ্রণেতাও সামরিক পদক্ষেপের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে ইরানি মুদ্রা রিয়ালের অবমূল্যায়ন ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়। ট্রাম্প তেহরানকে বিক্ষোভ দমনে কঠোরতা না দেখানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তবে ইরানি কর্মকর্তারা এসব মন্তব্যকে ‘বেপরোয়া হস্তক্ষেপ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
ইরান নীতি ও বিক্ষোভ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনে বিভাজন তীব্র