বুধবার সন্ধ্যায় রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের বুড়ির পুকুর হাট স্কুল মাঠে নির্বাচনি জনসভায় জামায়াতে ইসলামী রংপুর-২ আসনের প্রার্থী ও নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকার নিজেদের বানানো ট্রাইব্যুনালে সাজানো সাক্ষী দিয়ে তার ফাঁসির ব্যবস্থা করেছিল। তিনি বলেন, মহান আল্লাহর রহমত ও জনগণের দোয়ায় দীর্ঘ কারাবাস শেষে তিনি মুক্তি পেয়েছেন এবং যাকে আল্লাহ রক্ষা করেন তাকে কেউ হত্যা করতে পারে না।
আজহারুল ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালে তার যুদ্ধ করার মতো বয়স ছিল না, তবুও তাকে যুদ্ধাপরাধী বানানো হয়েছিল শুধুমাত্র ইসলামের পক্ষে কথা বলার কারণে। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে সাক্ষীরা ৩ থেকে ৯ কিলোমিটার দূর থেকে হত্যাকাণ্ড দেখার কথা বলেছিল, যা ছিল মিথ্যা ও সাজানো। এই সাক্ষ্যের ভিত্তিতেই তাকে ১৪ বছর কারাগারে রেখে নির্যাতন করা হয়।
তিনি আরও বলেন, মুক্তির পর অনেক সাক্ষী স্বীকার করেছেন যে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের ভয় দেখিয়ে ও প্রলোভন দিয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করেছিল। তিনি ভোটারদের আহ্বান জানান দুর্নীতিবাজদের পরিহার করে ১১ দলের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিতে এবং ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে।
এটিএম আজহারুল ইসলামের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের সাজানো ট্রাইব্যুনালে মিথ্যা সাক্ষী দিয়ে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।