প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ভবিষ্যতে যারা বাংলাদেশ পরিচালনা করবেন, তারা যেন ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতেই আসন্ন গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকায় এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সম্মেলন কক্ষে ‘আসন্ন গণভোট এবং এনজিওসমূহের করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান আলোচক হিসেবে তিনি এ কথা বলেন। রীয়াজ জানান, দেশের ত্রুটিপূর্ণ সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোই শাসকদের ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার সুযোগ দেয়, তাই গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের মাধ্যমে সেই পথ বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, গণভোট সাধারণ নির্বাচনের মতোই হবে, যেখানে ভোটাররা দুটি ব্যালট পাবেন—একটি সাদা জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য এবং একটি রঙিন গণভোটের জন্য। জনগণ এই ভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ করবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ কীভাবে পরিচালিত হবে। রীয়াজ এনজিও প্রতিনিধিদের আহ্বান জানান, তারা যেন প্রান্তিক জনগণের মধ্যে গণভোট বিষয়ে সচেতনতা বাড়ান।
তিনি আরও বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণের সম্মতি পেলে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সহজ হবে এবং রাষ্ট্রের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের পথ প্রশস্ত হবে।
আলী রীয়াজ বললেন, গণভোট ফ্যাসিবাদ ঠেকিয়ে রাষ্ট্রে স্বচ্ছতা আনবে