চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলের নির্বাচনি ঐক্য থেকে সরে গেছে। শুক্রবার বিকেলে দলের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এ ঘোষণা দেন এবং জামায়াতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন। এর জবাবে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আসন বণ্টন বা রাজনৈতিক আলোচনায় কোনো পক্ষকে অসম্মান বা চাপ প্রয়োগ করা হয়নি।
তিনি জানান, মাঠের বাস্তবতা, সাংগঠনিক শক্তি, প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা ও প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অবস্থান বিবেচনায় একাধিক জরিপের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শরিয়া আইন চালুর অভিযোগকে বিভ্রান্তিকর বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং বলেন, জামায়াত বাংলাদেশের সংবিধান ও বিদ্যমান আইনি কাঠামোর মধ্যেই কাজ করছে। তিনি আরও জানান, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক জোট নয়, বরং সংস্কার দাবিকে সামনে রেখে গঠিত নির্বাচনি ঐক্য।
জুবায়ের বলেন, এক বৈঠক না হওয়ায় যে কষ্ট হয়েছে তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি জানান, ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে সরে গেলেও আলোচনার পথ খোলা রয়েছে। এখন পর্যন্ত ২৫৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে এবং বাকি আসন নিয়ে আলোচনা চলছে।
ইসলামী আন্দোলনের জোট ত্যাগের পর জামায়াতের ব্যাখ্যা, চাপ বা শরিয়া আইন অভিযোগ অস্বীকার