ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের কস্ট অব ওয়ার প্রজেক্ট-এর নতুন প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক কার্যক্রম ও সহায়তায় প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। এর মধ্যে ইসরাইল একাই পেয়েছে ২১ বিলিয়নের বেশি সহায়তা, যা তাদের গাজা, ইয়েমেন ও ইরানবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ, অস্ত্র ও রাজনৈতিক সমর্থন ছাড়া ইসরাইলের পক্ষে এত দীর্ঘ যুদ্ধ সম্ভব হতো না। “ইউএস মিলিটারি এইড অ্যান্ড আর্মস ট্রান্সফার্স টু ইসরাইল, অক্টোবর ২০২৩–সেপ্টেম্বর ২০২৫” শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা বজায় রাখার মূল খেলোয়াড়। সমালোচকেরা বলছেন, এই বিপুল ব্যয়ের বোঝা শেষ পর্যন্ত আমেরিকান করদাতাদের ওপর পড়ছে। অন্যদিকে, মার্কিন ইহুদি সমাজের একাংশ ইতিমধ্যেই গাজায় ইসরাইলের কর্মকাণ্ডকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে দেখছেন। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই সহায়তা আগামী ২০২৮ সালের নির্বাচনে মার্কিন রাজনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে।
কুইন্সি ইনস্টিটিউটের সিনিয়র গবেষক উইলিয়াম ডি হার্টাংয়ের মতে, ওয়াশিংটনের অর্থ ও অস্ত্রই ইসরাইলকে এই ধ্বংসযজ্ঞে টিকে থাকার শক্তি জুগিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।