নিবন্ধে সতর্ক করা হয়েছে, ২০২৬ সালের মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যে হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দেব একসঙ্গে অচল হলে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ, নৌবাণিজ্য ও মূল্যস্ফীতিতে গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে। ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী হরমুজ পারস্য উপসাগরের তেল-গ্যাস পরিবহনের প্রধান পথ। অন্যদিকে বাব আল-মান্দেব লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্ত করে এবং সুয়েজ খাল হয়ে এশিয়া-ইউরোপ বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার।
মার্কিন এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের হিসাবে, ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে হরমুজ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২০ দশমিক ৯ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত তরল পরিবাহিত হয়েছে। এ পথে দৈনিক ১১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ঘনফুট এলএনজিও গেছে। হরমুজ দিয়ে যাওয়া অপরিশোধিত তেল ও কনডেনসেটের প্রায় ৮৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল এশিয়া, বিশেষত চীন, ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া।
নিবন্ধে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল রপ্তানি যুদ্ধ-পূর্ব মাত্রার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশে নেমেছে এবং ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। বাব আল-মান্দেবের ঝুঁকিতে জাহাজ কোম্পানিগুলো আফ্রিকা ঘুরে দীর্ঘ পথ বেছে নিচ্ছে। আমদানিনির্ভর বাংলাদেশে জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বাড়লে আমদানি ব্যয় এবং আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়তে পারে।
দুটি সামুদ্রিক চোকপয়েন্টের সংকটে জ্বালানি, পরিবহন ও আমদানি ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।