প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্টস জানিয়েছে, ‘শতাধিক নেতার মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিল’- এমন শিরোনামে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে- তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর। উপদেষ্টা ফারুক ই আজমের বরাত দিয়ে প্রেস উইং ফ্যাক্টস লিখেছে, “মুজিবনগর সরকারে যারা ছিলেন, তারাও ‘মুক্তিযোদ্ধা’। যারা সশস্ত্রভাবে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, যারা পরিচালনা করেছেন, তারা মুক্তিযোদ্ধা। তবে ওই সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ‘সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা’।” ফারুক ই আজম বলেন, জামুকা অধ্যাদেশ অনুযায়ী স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রসহ কূটনীতিকরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা। সহযোগী মানে এই নয় যে তাদের সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধার যে সংজ্ঞা ছিল সেটাই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ২০১৮ ও ২০২২ সালে এটা পরিবর্তন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী দুইয়েরই সম্মান, মর্যাদা, সুযোগ-সুবিধা একই থাকবে।
‘শতাধিক নেতার মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিল’- এমন শিরোনামে দেশের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে- তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর: প্রেস উইং ফ্যাক্টস