চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনে হামলার অভিযোগকে গুজব বলে জানিয়েছে পুলিশ ও প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাতে ওসমান হাদির মৃত্যুর পর শহরের কয়েকটি এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লেও কূটনৈতিক কার্যালয়ে কোনো সরাসরি হামলা বা ভাঙচুরের প্রমাণ মেলেনি। কয়েকজন বিক্ষোভকারী দূর থেকে পাথর নিক্ষেপ করলেও তা ভবনের বাইরের গেট পর্যন্ত সীমিত ছিল এবং পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার আমিনুর ইসলাম জানান, কোনো অনুপ্রবেশ বা অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে এবং ১২ জনকে আটক করে। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে মোতায়েন হয়ে পুরো এলাকা নিরাপত্তা বলয়ে রাখে। ভিডিও বিশ্লেষণ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যেও হামলার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেন, কূটনৈতিক স্থাপনা ঘিরে গুজব ছড়ালে তা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও জননিরাপত্তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা প্রশাসনকে দ্রুত ও স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানান।
চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনে হামলার গুজব অস্বীকার করেছে পুলিশ