Web Analytics

২০২৬ সালের ২৪ জানুয়ারি প্রকাশিত আবু সাইদ কামালের প্রবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সাহিত্যচর্চা দীর্ঘদিন ধরে সামরিক শাসন ও একদলীয় কর্তৃত্ববাদের প্রভাবে হেজেমনি ও ফ্যাসিবাদী নিয়ন্ত্রণের অধীনে ছিল। রাষ্ট্র নির্দিষ্ট সাহিত্যধারা ও বয়ানকে ‘জাতীয়’ বা ‘মূলধারা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে বিকল্প কণ্ঠগুলোকে প্রান্তিক করেছে। লেখক ব্যাখ্যা করেছেন, সাহিত্যিক হেজেমনি সম্মতির মাধ্যমে সাংস্কৃতিক আধিপত্য তৈরি করে, আর ফ্যাসিবাদ তা বলপ্রয়োগ ও দমননীতির মাধ্যমে টিকিয়ে রাখে।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র সাহিত্যকে রাজনৈতিক বৈধতার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে, ফলে আনুগত্যশীল লেখকরা পুরস্কার ও সুযোগ পেয়েছেন, আর সমালোচনামূলক সাহিত্য দমন হয়েছে। এতে আত্ম-সেন্সরশিপ, সৃজনশীলতার সংকোচন ও প্রান্তিক সাহিত্যধারার অবমূল্যায়ন ঘটেছে। তবে লিটল ম্যাগাজিন, বিকল্প প্রকাশনা ও প্রতীকী লেখার মাধ্যমে প্রতিরোধী সাহিত্যও গড়ে উঠেছে।

লেখক উল্লেখ করেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান সাহিত্যিক কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। এতে প্রান্তিক কণ্ঠের উত্থান ও সাহিত্যিক দায়বদ্ধতার নতুন সংজ্ঞা তৈরি হয়েছে। প্রবন্ধটি উপসংহারে বলেছে, সত্যিকারের সাহিত্যিক মুক্তি তখনই সম্ভব, যখন সাহিত্য রাষ্ট্রের নয়, মানুষের অভিজ্ঞতার ভাষা হয়ে ওঠে।

24 Jan 26 1NOJOR.COM

বাংলাদেশের সাহিত্যিক নিয়ন্ত্রণ ইতিহাস ও ২০২৪ পরবর্তী পরিবর্তন বিশ্লেষণ

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।