যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বলপ্রয়োগের ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা ডেনমার্কের সার্বভৌমত্বকে উপেক্ষা করে দেওয়া মন্তব্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। হোয়াইট হাউসে তেল খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তিনি “সহজ পথে” একটি চুক্তি করতে চান, কিন্তু তা সম্ভব না হলে “কঠিন পথে” যাওয়া হবে। ট্রাম্প বলেন, খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ এই দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য, বিশেষ করে আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া বা চীনকে গ্রিনল্যান্ড দখল করতে দেবে না, কারণ যুক্তরাষ্ট্র না করলে তারা সেটাই করবে। ট্রাম্পের এই মন্তব্যে ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় মিত্ররা বিস্ময় প্রকাশ করেছে। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডে আগ্রাসন ঘটলে ন্যাটোসহ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা কাঠামোর অবসান ঘটবে।
আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।
গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে বলপ্রয়োগের ইঙ্গিত ট্রাম্পের, ন্যাটো ভাঙনের আশঙ্কা ডেনমার্কের