২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে জানানো হয়, তুরস্ক সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ট্রাম্প প্রশাসনের হোয়াইট হাউসে ফেরার কয়েক সপ্তাহ পর এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিনিময়কেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতির বিপরীতে তুরস্কের সক্রিয় অবস্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চুক্তিটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, তবে এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তার কাঠামোয় নতুন ধারা তৈরি করছে। একক ছাতার পরিবর্তে এখন নিরাপত্তা গড়ে উঠছে বহুস্তরীয় পোর্টফোলিও আকারে, যেখানে বাণিজ্য, লজিস্টিকস ও শিল্পক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের বিকল্প নিরাপত্তা কাঠামো গড়তে চায়, পাকিস্তান প্রতিরক্ষা সম্পদকে অর্থনৈতিক আয়ে রূপ দিতে চায়, আর তুরস্ক ন্যাটো ছাড়াই প্রভাব বাড়াতে চায়। চুক্তিটি বাস্তব সামরিক সহযোগিতায় রূপ নেবে নাকি প্রতীকী থাকবে, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন।
উপসাগরীয় ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ব্যবসার জন্য এই পরিবর্তন ঋণ, ইন্স্যুরেন্স ও ঝুঁকি ব্যয়ের কাঠামোতে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে।
তুরস্ক সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে চায়, নতুন নিরাপত্তা ভারসাম্য গড়ে উঠছে