হেফাজতে ইসলাম বলেছে, রাজবাড়ীতে লাশ পোড়ানো নিন্দনীয় ও অগ্রহণযোগ্য। ক্ষুব্ধ ধর্মপ্রাণ মুসলিম জনতার ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, কাবার আদলে ১২ ফুট উঁচু নুরাল পাগলার মাজার ও বেদি নির্মাণ, নিজেকে ইমাম মাহাদী দাবি ও নিজস্ব কালেমার প্রচলন নিয়ে অনেকদিন ধরে রাজবাড়ীর স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ক্ষুব্ধ ছিলেন। নুরাল পাগলার পরিবারকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেও বিফল হয়েছেন। এমনকি একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে তারা বৈঠক করে স্মারকলিপি দেন এবং প্রয়োজনে সংবাদ সম্মেলনও করেন। প্রশাসনের অসহযোগিতার কারণে ভাঙচুর ও লাশ পুড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। আরো বলেছে, এটি মানবিক মর্যাদার প্রশ্ন। ইসলাম প্রদত্ত এই মর্যাদা কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারো নেই। হেফাজত বলে, মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এলে বাম, প্রগতিশীল ও সরকারকে সবসময় নিষ্ক্রিয় ও নীরব দেখা যায়। এই বৈষম্য ইসলামবিদ্বেষ প্রসূত বলে আমরা মনে করি। এমনকি একশ্রেণীর বাম ও প্রগতিশীলদের নৈতিক সমর্থনের কারণে তাদের ঘরানার কেউ কেউ বিভিন্ন সময় আল্লাহ ও রাসূল (সা.) এর নামে কটূক্তি ও বিষোদ্গার করার দুঃসাহসও দেখিয়েছে। কিন্তু শত প্রতিবাদেও তাদের কোনো বিচার হয়নি। দায়িত্ব শুধু আলেমদেরই নয়, তাদেরও রয়েছে।
রাজবাড়ীতে লাশ পোড়ানো নিন্দনীয় ও অগ্রহণযোগ্য। ক্ষুব্ধ ধর্মপ্রাণ মুসলিম জনতার ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে: হেফাজত