২০২৬ সালের ২৪ জানুয়ারি প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারতে মুসলিম নাগরিকদের ওপর হেনস্তা ও প্রান্তিককরণ ক্রমেই বাড়ছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মুসলমানদের প্রায়ই বলা হয় রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রমাণ করতে হলে তাদের রাজনৈতিকভাবে নীরব থাকতে হবে। স্বাধীনতার পর থেকে তারা গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিলেও এখন তাদের বৈধ রাজনৈতিক মত প্রকাশের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে।
প্রতিবেদনটি দেখায়, এই ‘ব্যতিক্রমবাদ’-এর শিকড় দেশভাগ-পরবর্তী সময়ে, যখন ভারতে থেকে যাওয়া মুসলমানদের নৈতিকভাবে আলাদা হিসেবে দেখা হতো। ইতিহাসবিদ মুশিরুল হাসান এবং তাত্ত্বিক মাহমুদ মামদানি ও হিলাল আহমেদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মুসলমানদের হয় অরাজনৈতিক ও অনুগত, নয়তো রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হলে সন্দেহভাজন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। গণমাধ্যমও এই বিভাজনকে জোরদার করছে, যেখানে প্রতিবাদী মুসলমানদের নেতিবাচকভাবে চিত্রিত করা হয়।
প্রতিবেদনটি উপসংহারে জানায়, এই ধারণা এখন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিচ্ছে। মুসলমানদের সম্পর্কিত আইন ও নীতিগত সংস্কারকে নিরপেক্ষ বলা হলেও তাদের বিরোধিতাকে আবেগপ্রবণ বা পশ্চাদগামী হিসেবে প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে।
ভারতে মুসলমানদের রাজনৈতিক নীরবতা ও সামাজিক অদৃশ্যতার চাপ বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ