বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) আওতাধীন স্থাবর সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়ে ‘বেবিচকের আওতাধীন স্থাবর সম্পত্তি ইজারা বিধিমালা, ২০২৬’ শীর্ষক খসড়া প্রণয়ন করেছে। মন্ত্রণালয় বেবিচকের কাছে তিন কার্যদিবসের মধ্যে মতামত চেয়ে পাঠায়, যা সংস্থাটি অবাস্তব ও তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করে আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানায়। বেবিচক জানায়, প্রস্তাবিত বিধিমালা বিমানবন্দর পরিচালনা, যাত্রীসেবা, জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এবং যথাযথ কারিগরি পর্যালোচনা ছাড়া তা করা সম্ভব নয়। মন্ত্রণালয় জনমত আহ্বানের জন্য খসড়াটি ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করেছে।
বেবিচকের চিঠিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত বিধিমালার কিছু ধারা আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইকাও)-এর মানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে, যা আন্তর্জাতিক অডিটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সংস্থাটি আরও জানায়, খসড়াটি বেবিচক আইন, ২০১৭-এর এখতিয়ারে হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং এতে প্রশাসনিক জটিলতা ও অপারেশনাল বিঘ্ন ঘটতে পারে। এয়ারসাইড এলাকায় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা প্রদানের প্রস্তাবকেও তারা অনুচিত বলে মত দিয়েছে।
এদিকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাজিন আহমেদ জনমত আহ্বানের সময়সীমা ন্যূনতম তিন সপ্তাহ বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি জানান, এ বিষয়ে পাঁচ শতাধিক আবেদন জমা পড়েছে এবং সংবিধান অনুযায়ী জনমত আহ্বান একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়াগত শর্ত।
বেবিচকের সম্পত্তি ইজারা বিধিমালা খসড়ায় তিন দিনের সময়সীমা নিয়ে আপত্তি