২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতন ও ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের একচেটিয়া প্রভাব কমে গেছে এবং দুই দেশের মধ্যে ভিসা প্রক্রিয়া প্রায় বন্ধ, প্রয়োজনীয় পণ্য রপ্তানিতেও বাধা সৃষ্টি হয়েছে। লেখকের দাবি, ভারত অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে এবং আগরতলায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের হামলা কূটনৈতিক নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অবিশ্বাসের মূল কারণ নিরাপত্তা-ভীতি, হিন্দুত্ববাদ এবং আগ্রাসী নেতৃত্ব। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে এবং তুরস্ক, পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করছে। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যুদ্ধবিমান ও সামরিক ড্রোন প্রকল্প।
লেখক সার্ক পুনরুজ্জীবন, জাতীয় নিরাপত্তা রূপরেখা প্রণয়ন এবং ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সহায়ক হবে।
গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক তলানিতে, ঢাকা নতুন কূটনৈতিক ভারসাম্যের পথে