মিয়ানমারের সামরিক জান্তা রোববার দেশের নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ শুরু করেছে। তিন ধাপে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন ২৫ জানুয়ারি শেষ হওয়ার কথা। সকাল ৬টা থেকে ভোট শুরু হয় অং সান সু চির সাবেক নির্বাচনি এলাকা কাওহমুতে, যা ইয়াঙ্গুন শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে। গণতন্ত্র পর্যবেক্ষক ও অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, এই নির্বাচন সামরিক শাসনকে বেসামরিক রূপে দীর্ঘায়িত করার কৌশল মাত্র।
স্বাধীনতার পর থেকে মিয়ানমারের ইতিহাসের বেশির ভাগ সময়ই দেশটি সামরিক শাসনের অধীনে ছিল। প্রায় এক দশক আগে গণতান্ত্রিক সংস্কারের মাধ্যমে বেসামরিক সরকার ক্ষমতায় এলেও ২০২১ সালে সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফের ক্ষমতা দখল করে। সেই সময় আগের নির্বাচনের ফল বাতিল করা হয় এবং অং সান সু চিকে গ্রেপ্তার করা হয়, ফলে দেশটি গৃহযুদ্ধে নিমজ্জিত হয়। বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক বাহিনীর রাজনৈতিক বাহন ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) প্রথম ধাপেই নিম্নকক্ষের প্রায় ৯০ শতাংশ আসনে জয় পেয়েছে।
সু চি বন্দি থাকায় এবং তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি বিলুপ্ত হওয়ায় গণতন্ত্রপন্থিরা বলছেন, নির্বাচনটি সামরিক ঘনিষ্ঠ দলগুলোর পক্ষে সাজানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের আগ্রহও এতে খুবই কম।
সামরিক শাসন দীর্ঘায়িতের অভিযোগে মিয়ানমারে দ্বিতীয় ধাপের ভোট শুরু