রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যু বাংলাদেশে রাষ্ট্রের নৈতিক দায়বদ্ধতা ও ভিন্নধারার রাজনীতির প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে। ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচিত হাদি ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার মৃত্যু রাজনৈতিক সহিংসতা, নিরাপত্তাহীনতা এবং বড় রাজনৈতিক দলগুলোর নীরবতা নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
হাদি ছিলেন আপসহীন কণ্ঠস্বর, যিনি দেশীয় ফ্যাসিবাদ ও বিদেশি আধিপত্য উভয়ের বিরোধিতা করতেন। তার কাছে রাষ্ট্র মানে ছিল নাগরিকের মর্যাদা, ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। সংস্কৃতির স্বাধীনতা ও তরুণদের দায়িত্ববোধ নিয়ে তার চিন্তা তাকে বিকল্প রাজনীতির প্রতীক করে তুলেছিল। বয়োজ্যেষ্ঠ ও তরুণ উভয় প্রজন্মের মধ্যেই তিনি আস্থা ও প্রেরণার উৎস ছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, হাদির মৃত্যু বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভিন্নমতের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানকে স্পষ্ট করেছে। তার সাহস, নৈতিকতা ও সার্বভৌম চিন্তা তরুণ প্রজন্মের কাছে এখনো অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে আছে।
শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা ও নৈতিক রাজনীতি নিয়ে নতুন বিতর্ক