নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ইস্যুতে গভীর মতপার্থক্য কাটিয়ে উঠতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সতর্কভাবে এগোচ্ছে। সাম্প্রতিক ঘটনাবলী ইঙ্গিত দিচ্ছে, উভয় দেশই জনসমক্ষে বক্তব্য কমিয়ে সংলাপের পরিবেশ তৈরি করতে চায়, যদিও বড় ধরনের অগ্রগতি এখনো দেখা যায়নি। ইসলামাবাদ দাবি করছে, আফগান মাটি যেন পাকিস্তানে হামলার জন্য ব্যবহার না হয়, এবং পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মধ্যস্থতাকারীরা উভয় পক্ষকে প্রকাশ্য বাকবিতণ্ডা কমিয়ে আলোচনায় মনোযোগ দিতে উৎসাহিত করছেন। আফগান ধর্মীয় নেতারা সম্প্রতি সীমান্তের বাইরে আক্রমণ নিষিদ্ধ করে একটি ফতোয়া জারি করেছেন, যেটিকে পাকিস্তান আস্থা তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে। এরপর আফগান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজউদ্দিন হাক্কানি প্রকাশ্যে আশ্বস্ত করেছেন যে আফগান মাটি অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে না। পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার তার বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান।
তবে একাধিক দফা আলোচনার পরও অগ্রগতি সীমিত। পাকিস্তান বলছে, সম্পর্ক উন্নয়ন টিটিপির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপের ওপর নির্ভরশীল, আর কাবুল দাবি করছে তারা তাদের ভূখণ্ড হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেয় না। ইসলামাবাদ আগামী দুই থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখতে চায়।
টিটিপি ও সীমান্ত নিরাপত্তা ইস্যুতে সম্পর্ক উন্নয়নে সতর্ক প্রচেষ্টায় পাকিস্তান-আফগানিস্তান