বাংলাদেশজুড়ে চলছে নজিরবিহীন শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশা ও সূর্যের অনুপস্থিতিতে তীব্র ঠান্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ৫ জানুয়ারি থেকে তাপমাত্রা আরও কমে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। শুক্রবার ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নয়টি ফ্লাইট অন্যত্র পাঠানো হয়, পরে আবহাওয়া উন্নত হলে স্বাভাবিক ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় সূর্যের আলো না থাকায় শীতের অনুভূতি বেড়েছে। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং যশোরে ৮ ডিগ্রি। রংপুর ও রাজৈরসহ উত্তরাঞ্চলে কনকনে ঠান্ডায় শ্রমজীবী মানুষের কাজকর্ম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, গত এক সপ্তাহে রংপুর বিভাগে ঠান্ডাজনিত রোগে ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে শিশু, নারী ও বয়স্কের সংখ্যা বেশি।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শাহজালাল বিমানবন্দরে ক্যাটাগরি-২ ইনস্ট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম না থাকায় ঘন কুয়াশায় ফ্লাইট ডাইভার্টের ঘটনা বাড়ছে। শৈত্যপ্রবাহে নিম্ন আয়ের ও ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে, পাশাপাশি সড়ক ও আকাশপথে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে বাংলাদেশ, জনজীবন ও পরিবহন ব্যাহত