বাংলাদেশে অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারও ইলেকট্রনিক বা ডিম্যাট আকারে রূপান্তরের উদ্যোগ পর্যালোচনা করছে সেন্ট্রাল ডিপজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)। এ উদ্যোগে ফি নির্ধারণসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে। সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মোতালেব জানান, ফি বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
প্রস্তাবিত প্রক্রিয়ায় অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে শেয়ার ডিম্যাটের আগে ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটিজ আইডেন্টিটি নাম্বার বা আইসিন নিতে হবে। ফি নির্ধারণের প্রস্তাব আগে সিডিবিএল বোর্ডে অনুমোদিত হবে, পরে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো বর্তমানে পরিশোধিত মূলধন ও সিকিউরিটিজের ধরনভেদে ৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা ফি দেয়, তবে অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির ফি এখনো নির্ধারিত হয়নি।
আইসিন পাওয়ার পর পরিচালকেরা নিজেদের নামে থাকা শেয়ার বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ডিম্যাট করতে পারবেন। অনুমোদিত ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্টের মাধ্যমে আবেদন সিডিবিএলের কেন্দ্রীয় ব্যবস্থায় প্রক্রিয়াকরণ হবে এবং কাগুজে সার্টিফিকেটের বদলে বিও অ্যাকাউন্টে ইলেকট্রনিক ব্যালেন্স জমা হবে। আবদুল মোতালেব বলেন, এতে শেয়ার হারানো, নষ্ট হওয়া ও জালিয়াতির ঝুঁকি কমবে এবং কোম্পানিগুলো তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে এক ধাপ এগোবে।
অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার ডিম্যাটের কাঠামো পর্যালোচনা করছে সিডিবিএল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।