বাংলাদেশে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশটির গণতন্ত্রের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রাজধানী ঢাকা ও সারাদেশের ভোটকেন্দ্রগুলো সকালে ধীরে ধীরে ভোটারে পূর্ণ হয়ে ওঠে, এবং ফলাফল শুক্রবার ঘোষণা হওয়ার কথা। প্রায় ১২ কোটি ৭০ লাখ ভোটার এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, যা ২০২৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর প্রথম জাতীয় নির্বাচন। তরুণদের নেতৃত্বে হওয়া বিক্ষোভে শত শত মানুষ নিহত হয়েছিল। হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেছেন এবং অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন; তার দলকে নির্বাচনে অংশ নিতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতা তারেক রহমান, যিনি ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসনের পর দেশে ফিরেছেন, সরকার গঠনের শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী, যা হাসিনার পতনের পর পুনরায় প্রভাবশালী হয়েছে। নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যেখানে প্রায় ৫০০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক উপস্থিত রয়েছেন।
এই নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ পুনর্গঠন করতে পারে, যেখানে প্রায় ৫০ লাখ প্রথমবারের ভোটার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তরুণদের নেতৃত্বে হাসিনা-পরবর্তী প্রথম নির্বাচনে ভোট দিচ্ছে বাংলাদেশ