২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত তোফায়েল আরিফের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে পাবলিক ইন্টারনেট ব্যবহারের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিং মল, হাসপাতাল ও পার্কে সহজলভ্য ফ্রি ওয়াইফাই নেটওয়ার্কগুলোতে সাধারণত শক্ত নিরাপত্তা যাচাই থাকে না। একই পাসওয়ার্ডে একাধিক ব্যবহারকারী সংযুক্ত হওয়ায় এসব উন্মুক্ত নেটওয়ার্কে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি ও হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্বল এনক্রিপশন, ম্যান ইন দ্য মিডল আক্রমণ, ভুয়া ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক, সোশ্যাল মিডিয়া ও ইমেইল হ্যাক, আর্থিক তথ্য ফাঁস, ম্যালওয়্যার সংক্রমণ এবং ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মতো ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। শিশু ও কিশোরদের নিরাপত্তা সচেতনতা কম থাকায় তারা সহজেই প্রতারণার শিকার হয়। বাংলাদেশে সাইবার সচেতনতা কম, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ও টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহারে অনীহা থাকায় ঝুঁকি আরও বাড়ছে।
তোফায়েল আরিফ পরামর্শ দিয়েছেন, পাবলিক ওয়াইফাইতে ব্যাংকিং বা সংবেদনশীল কাজ না করতে, অটোকানেক্ট বন্ধ রাখতে, HTTPS ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে, লগআউট করতে এবং প্রয়োজনে VPN ব্যবহার করতে। নিয়মিত ডিভাইস ও অ্যাপ আপডেট রাখলে ঝুঁকি অনেকটা কমানো সম্ভব।
বাংলাদেশে পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহারে বাড়ছে সাইবার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার ঝুঁকি