দেশের ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) খেলাপি ঋণ উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গত বছরের সেপ্টেম্বর শেষে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৩৭ শতাংশেরও বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ঋণ বেড়েছে ২ হাজার ১৫৯ কোটি টাকা এবং খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা।
খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, পি কে হালদারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের প্রভাব এখনো বহমান। বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চখেলাপি ঋণ ও আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ২০টি প্রতিষ্ঠানে নোটিস দিয়েছে এবং এর মধ্যে ৯টি প্রতিষ্ঠান বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে। এই ৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে এফএএস ফাইন্যান্স, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি ও পিপলস লিজিং। এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ৫৫ শতাংশ রয়েছে।
গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, রমজানের আগেই ফেব্রুয়ারিতে এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি পর্যায়ের আমানতকারীরা তাদের মূল টাকা ফেরত পাবেন। সরকার প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে, তবে কোনো সুদ দেওয়া হবে না।
খেলাপি ঋণ বেড়ে ২৯ হাজার কোটি, নয়টি এনবিএফআই বন্ধের পথে