সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে উচ্চশিক্ষাকে মানিয়ে নিতে পাঠ্যক্রম, মূল্যায়ন ও শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণের ধরন বদলাচ্ছে। নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের ৫২টি স্নাতক ডিগ্রি কর্মসূচির ৪০ শতাংশের পাঠ্যক্রমে এআই যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েছে; বর্তমানে এ হার ৫ শতাংশ। প্রকৌশল ও কম্পিউটারবিজ্ঞানের বাইরে কলা ও মানবিকবিদ্যাতেও এআই শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর মৌলিক জ্ঞান, পরিমাণগত যুক্তি ও গণনামূলক চিন্তাপদ্ধতিতে জোর দিচ্ছে এবং শিক্ষার্থীর উত্তরের পাশাপাশি তার চিন্তাপ্রক্রিয়াকে মূল্যায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে। কিংস কলেজ লন্ডন কঠোর নিষেধাজ্ঞার বদলে পাঠদান ও মূল্যায়নে এআই যুক্ত করার পথ খুঁজছে। লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস বিদ্যমান পাঠ্যক্রমে এআই অন্তর্ভুক্ত করে শিক্ষার্থী ও কর্মীদের ক্লড ও কোপাইলট ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়া মূলত বিশেষায়িত এআই ও উন্নত প্রযুক্তি কর্মসূচি সম্প্রসারণে জোর দিয়েছে। ২০২৪ সালের পর এআই, সেমিকন্ডাক্টর ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চার হাজারের বেশি আসন বেড়েছে। তবে শিক্ষক ও অবকাঠামো ঘাটতির উদ্বেগে ২০২৭ সালের জন্য অতিরিক্ত উন্নত-প্রযুক্তি আসন ৪৩৪টিতে সীমিত করা হয়েছে। এতে শুধু আসন বাড়ানোর বাইরে শিক্ষার্থীর গভীর জ্ঞান, স্বাধীন চিন্তা ও এআইয়ের ফলাফল যাচাইয়ের সক্ষমতা গড়ার প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।
এআই যুগে পাঠ্যক্রম, মূল্যায়ন ও শিক্ষার্থী দক্ষতা নতুনভাবে সাজাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।