ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ লাতিন আমেরিকায় ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের হস্তক্ষেপমূলক নীতিকে আবার সামনে এনেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হস্তক্ষেপের মূল লক্ষ্য ছিল কমিউনিজম ঠেকানো, কর্পোরেট স্বার্থ রক্ষা এবং কৌশলগত প্রভাব বজায় রাখা।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৫৪ সালে গুয়াতেমালায় সিআইএ-সমর্থিত অভ্যুত্থান থেকে শুরু করে ১৯৬১ সালের কিউবার ‘বে অব পিগস’ অভিযান, ১৯৬৪ সালের ব্রাজিলের সামরিক অভ্যুত্থানসহ একাধিক দেশে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকার অভিযোগ রয়েছে। চিলি, আর্জেন্টিনা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, এল সালভাদর ও নিকারাগুয়াসহ বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও সামরিক শাসনের পেছনেও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে এসেছে। ১৯৮০-এর দশকে এল সালভাদর ও নিকারাগুয়ায় গৃহযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা এবং গ্রেনাডা ও পানামায় সরাসরি অভিযানও এই ধারার অংশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার বর্তমান পরিস্থিতি এই দীর্ঘ ইতিহাসের নতুন অধ্যায়। লাতিন আমেরিকার বহু দেশ আশঙ্কা করছে, এসব হস্তক্ষেপ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পরিবর্তে আরও সংঘাত ও বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে।
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন পদক্ষেপে লাতিন আমেরিকায় পুরোনো হস্তক্ষেপের ইতিহাস নতুন করে আলোচনায়