বাংলাদেশের আসন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারবিষয়ক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রকাশ্য সমর্থন নিয়ে নিরপেক্ষতা প্রশ্নে সমালোচনার পর প্রেস উইং ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে। এতে বলা হয়, এই সমর্থন সরকারের সংস্কারমূলক দায়িত্ব ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সংকটময় সময়ে নীরবতা নিরপেক্ষতার প্রতীক নয়, বরং নেতৃত্বের ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়।
ব্যাখ্যায় বলা হয়, গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত এই সরকার কেবল দৈনন্দিন প্রশাসন নয়, বরং রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধারের জন্য কাজ করছে। গত আঠারো মাসে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী ও তরুণদের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতে সংস্কার প্রস্তাব তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চা অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পরিবর্তন বিষয়ে সরকারপ্রধানের নীরব থাকার বাধ্যবাধকতা নেই।
প্রেস উইং আরও জানায়, গণভোটের বৈধতা নেতাদের নীরবতার ওপর নয়, বরং ভোটারদের স্বাধীন মত প্রকাশের ওপর নির্ভর করে। অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো নির্বাচনী স্বার্থ নেই, এবং তাদের প্রচারণার লক্ষ্য জনগণকে সংস্কারের বিষয়বস্তু ও গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত করা।
সংস্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটে ইউনূসের সমর্থন নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা